হে! হে ফিভার!

হে! হে ফিভার!

গত দুইতিন ধরে মাথা ব্যথা করতেছে। সম্ভবত হে ফিভার। এই সময়ে এই দেশে এটা অনেক কমন।

আজ সকাল থেকে মাথা দেখাটা একটু বেশি হয়েছে।

আবহাওয়াটা অনেক উঠানামা করছে, ওই দিনেই ছিল ২৭ ডিগ্রী, আর গত দুইদিন ছিল ১৬ ডিগ্রী। রাতে আরো কম।

গতকাল রাতে ঠান্ডা লেগে গেছে। ঠান্ডার একটা ভালো ওষুধ হলো গরম গরম ঝাল ঝাল রামেন!

লাঞ্চে রামেন খাবো, এটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ৩০ সেকেন্ড সময় লাগলো। আর রামেন বানাতে লাগলো ৫ থেকে ৬ মিনিট!

  • ছোট একটা পাত্রে দেড় কাপ পানি গরম করতে হবে।
  • পানি ফোটা শুরু করলে, যদি কোনো ফ্রোজেন কিংবা ড্রাই আইটেম দিতে চান, সেটা দিয়ে ফেলুম। আমি আজকে ফ্রেজেন মাছের বল আর শুকনো মাশরুম দিলাম।
  • একটু পরে রামেনের প্যাকেটের মসলা আর অন্যান্য আইটেমগুলো পানিতে দিয়ে নেড়ে দিন। মসলা আগে দিলাম যাতে ওগুলো মাছের বল আর মাশরুমের সাথে মিশে যায়।
  • এবার রামেনটি দুইভাগে ভেঙে ফুটন্ত পানিতে দিন। রামেন ভেঙেছি শুনলে কোরিয়ানরা আঁতকে উঠবে। এতে নাড়তে সুবিধা হয়। বেশি ভাঙবেন না, চপস্টিক দিয়ে খেতে সমস্যা হবে।
  • যদি ঢাকনি দেন তাহলে বেশি হলে ৩ মিনিট, আর না ঢাকলে সাড়ে চার মিনিট পর রামেন রেডি হয়ে যাবার কথা। গলিয়ে ফেলবেন না, কিন্তু!

এবার সাজানোর পালা।

চওড়া একটা বাটিতে ঢেলে নিন। খেতে সুবিধা হয়, প্লাস নিচের রামেনগুলো অনেকক্ষণ থাকার কারণে গলে যায় না।

আমি আজকে রামেনে কিমচি, একটা কাঁচা ডিম আর বাগানের ধনেপাতা ছিড়ে দিলাম। ডানজি ব্রান্ডের কিমচিটা আমার অনেক ভালো লাগে।

তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে ডিমের কুসুমটা ভেঙে গেছে।

কাঁচা ডিম শুনে ইয়াক করার কিছু নাই। কিমচির গরমে দ্রুত ডিমটাও রান্না হয়ে যায়।

অন্য সময় স্প্রিং ওনিয়ন, জাপানের মাছের ছিলকা কাৎসুওবুশি (ফ্লেক এর বাংলা কি হবে, কমেন্টে বলে দিয়েন), সিউইড, ইত্যাদি দিয়ে খাই!

Bon Appetit!

————————–

রামেন একটা প্রসসেড খাবার, এবং এতে অনেক বেশি লবন ও অন্যান্য কেমিক্যাল থাকে, এটা নিয়মিত খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

Posts You Might Like

Markdown version